Wednesday, 29 February 2012

চাইল্ড লক এবং প্রজাপতির ভ্রুণে

পাঁশকুড়ের মানপাতারা মাথা নাড়ে আবহাওয়ার নিশ্বাসে, তখন পাশে সজনে গাছে শুয়োপোকার ঢেউ নিশ্চয় বুঝে নেয় এস্ট্রলজি; অথচ লাল ঠোঁটের সবুজ টিয়ার কোনো দায় না থাকলেও সবার জানা আছে পাতা রঙের গায়ে মান মান গন্ধ ! যে গন্ধে বেমালুম পৌঁছে যেতে পারে sourav@lovers.in কিংবা কোনো হ্যান্ড টু হ্যান্ড বর্ণমালায়; আবার ব্যস্ত করতে পারে, কুঁকড়ানো লিপস্টিক বনবিতানের কোনো গাছের কোলে; অবাক হওয়ার কিছু নেই, মাউস ধরে অনায়াসেই এঁকে দিতে পারি তাকে তবে ম্যালেরিয়ার সিমটম দেখা দিতে পারে হাতে, যখন ইতুপুজোর মন্ত্রপাঠ ঝিল্লির সূচ ফোটানো মনে হয় নিদ্রালু চোরকুঠুরিকে; আর সেইসব মন্ত্র কুটকুটে শুঁয়োপোকারা বোঝে বলেই তো ...

এখন ফাইল ওপেন করলেই বোঝা যাবে, সমস্ত লগ্নকালেই ইতুর অঙ্গে চির অভিমানী মান পাতার সাথে শুঁয়োপোকার কাঁচাহলুদ সম্পর্ক হয়তো www.astrologer.com -এ ভোর বসন্তে বেলজিয়ামে গিলিদের বেমালুম গুটি বানাতে পারে গোলাপি শুঁয়োপোকারা; নয়তো নিশ্বাস বদলে গেলেই 

নামধাতু

কয়েকটা আকুল নামধাতু উড়ছিল আকাশে 
আমি স্বপ্ন পেতেছিলাম সবুজ ঘাসের উপর 
সেখানে আকাশ শুনিয়েছিল তোমার অভিমানী পায়ে নূপুরের আওয়াজ 
আমি তখন জানালার ধারে শুয়ে চাদর টেনে মুড়ে প্রাণপণে প্রতিরোধ করতে চাই 
শীত শীত কাঁপুনি - জ্বর হওয়া শীতকাল আর ... 

মেঘলা যখন

সেই তাঁত শাড়িটির নিখুঁত বুনন বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে হেঁটে যেতে পারত সবুজ সিঁড়ি ধরে, নিপুণ দুটি হাতে খুব সহজেই ধরা দিত গোলাপি সুতোরা, তাঁতকলের হলুদ সাঁকো বেয়ে মাটির গন্ধ সাজেই সেজে আসতো তারা । সার্থকতার দিনলিপি থেকে তাদের সারিবদ্ধ কণ্ঠস্বরে কতবার পেয়েছি সাঁওতালি মাদল । কিন্তু ক্রমশ ঘন রাতে ঝিল্লির বেপরোয়া গতি হঠাৎ হোঁচট খেয়ে বুঝিয়ে দেয় দ্বিখন্ডিত শাড়িটির পাটিগণিত । এখন নীরব সেলাইকলও । তাই নি:সঙ্গ হাতের প্রতিটি রোমকূপ ভাবে রাতজাগা ঘামের স্বাদ । আজ দাওয়ায় চুপচাপ বসেছিলাম তখনই হাতের প্রতিটি রেখাকে সাফ জানিয়ে দিলাম :


পারো তো প্রজাপতির সুতোয় সেলাই করে দিও শাড়িটা,আমি এখন.....   

রাতকানা আর চাঁদরঙ নিয়ে

তোমার ডিনার টেবিলে চিম্বুক পাহাড়ের বান্দারবান থেকে মারমানাচ উপহার দিতে পারতাম, এখন অনুশোচনার অঙ্ক কষি কারণ আমার জানা আছে তোমার সেই ট্র্যাডিসনাল আঙুরফল টক ভাইরাস নেই; ( একটি বিজ্ঞাপন বিরতি : ভোর লালসায় চন্দ্রভ্রমণের অপূর্ব সুযোগ, বিস্তারিত জানার জন্য : ..... ) তবে তোমার মধ্যে যে কমন ভাইরাসটির সংক্রমন আছে, তার জন্য ডা: বাসুদেব মুখোপাধ্যায়কে আগেভাগেই জানিয়ে রেখেছি; এমন আনকমন স্বীকারোক্তির কারণ : এখন পুরো ডিনার রুমটাই শৈবালদার নিত্যসঙ্গীটির চলন্ত মুখ, আমার মাথায় বেচারা টেবিলটির চারপায়ের অদ্ভূত কেশপুরিয়া লড়াই; এখন এই অবৈধ ইচ্ছাশক্তিটি মাউস চেপে ধরলেই ...


আমি নিশ্চিত জানি, দুগালে জলন্ত কয়লা মেখে ছিটকে গিয়ে মুখ গুঁজবে বিছানায়; অথচ নির্দ্বিধায় কৃতজ্ঞতা জানাব সদ্যভাঙা টেবিল-পা-কে; এখন ক্যালকুলেটর হাতে নিয়ে ধন্যবাদ কাউন্ট করতে পারে ছড়ানো ছিটানো থালা গ্লাস ; কারণ তাদের শব্দনাচ  

আধঘুম আর অলস সন্ধ্যা

সন্ধ্যার অন্ধকারে শহরের উপর মরচেধরা আকাশের রং আমার ভেতর ঢুকে সাদাপাতায় লিখে যায় স্টিফেন হকিং আমি লিখি সকাল ন-টার পাঁশকুড়া লোকাল, কয়েক স্টেশন পরপর কমলালেবুর ঝুড়ি নিয়ে কিছু হকার ..... দারুন ভালো লেবু, মিষ্টি ছিল, বলবেন...... আমি দেখছিলাম তাদের রং সান্ধ্য কলকাতার মতো, আমার আধঘুমের ভেতর পায়চারি করে বেড়ায় ট্রেন চলার অদ্ভূত শব্দ হঠাৎ কোথায় যেন ( বিজ্ঞাপন: রাতকানা আর চাঁদরঙ নিয়ে, এখন নিদাঘ ) থেমে যায়, টকটক চিৎকারের পর আবার চলতে শুরু জানি সিগন্যাল পোস্টে হলুদ আলো আসবে না আমার সাথে, আসবে কমলা সূর্যটি, আমার ছায়ার ভেতর হামাগুড়ি দেয় হলুদ বাল্বের কথাবার্তা, তবু আমাকে ভাবতেই হবে, সেই .... 


দু-চোখে অলস প্রজাপতি বা ফুল, কোথাও কোনো ব্যাঙ নেই যে ডেকে উঠলে বুঝবো বর্ষা আসতে পারে, বৃষ্টি হলে শহুরে গাছের কালোপাতারা সবুজ হয়ে যায় তখন সন্ধ্যার অন্ধকারের ভেতর 

কান্নায় ফিরে আসা

উসুয়াইয়ার যে প্রান্তে জোড়া জোড়া ছেলেমেয়ে বসবাস করে তাদের কাছে মেঘ কখনোই পাশবালিশ নয়; আবার সৃষ্টির উৎসমুখে যে মেঘ বারবার আছড়ে আছড়ে পড়ে, তাদের ভেজা কণ্ঠস্বর আমার ভোরঘুমে ঘোষণা করে যায় কৃষ্ণপ্রেম পুরানো হয়ে গেছে, ( বিজ্ঞাপন: লিখছি, আমার প্রেমিকার প্রতি উপহার স্বরূপ ) তাই খামখেয়ালি সময়ও বুঝে নিয়েছে   ধোঁয়ামেঘ আমাদের সিগারেটের ধোঁয়ায় নির্মিত, ভালোবাসা আর যৌনতার ভেদরেখা টানার অক্ষমতার পাশাপাশি, হাঁটতে ভালোবাসি আমাদের গ্রামে নতুন মোরামপথ ধরে, সবুজ দুপাশে পছন্দের চোখ থেকে অন্যপথে ভেসে আসে পরিচিত ডাক, শিমূলডালে বসে একটি কোকিল একনাগাড়ে গালাগাল অভ্যাস করে চলেছে; তবুও মায়ের কোলে শিশুর কান্নায় ভরে উঠছে চারদিক, ভালোবাসার পরিবর্তিত রূপ; এবার আমার হাতের তালুতে গজিয়ে উঠবে নতুন কোনো ...


সবকিছু যেমন মিলেমিশে এক হয়ে যায়, তবুও অণু থেকে পরমাণুর দিকে এগিয়ে যাওয়া, প্রেমের আবর্তে ঘুরেফিরে আসা চোখ, তবুও অন্যরকম চোখ, শুধুই চেয়ে থাকা; ভালোবাসার সংগায় স্বপ্নঘন চোখের প্রত্যেক তারার 

মুখ কিংবা মধুচন্দ্রিমা

শেষদুপুরে মেঠো পথ ধরে আসার সময় বাগানে সারবাঁধা অশ্বথ্ব গাছদের মনে হয় কোনো ক্লান্ত যুবকের মতো চাকরির চিঠি হাতে ঝিমিয়ে আসা মুখ; আমিও ঝলসানো মুখ ফিরিয়ে আপনপথ ধরি, দুধারে স্বপ্নের মতো খাপছাড়া ধনচেগাছ; মুখ তুলে তাকালে সামনেই দিগন্ত অথচ সামনে নয়; মৃদু বাতাস কাঁপিয়ে কোনো অবিবাহিতা পাশ কাটিয়ে গেলে, একটু দেখতে ইচ্ছা হয় ভাগ্যবতীদের, বাপমায়ের দুশ্চিন্তা ও আদরে পুষ্ট যৌবন, তারপর কপাল ফাটিয়ে মধুচন্দ্রিমার দিকে, যৌতুক শরীর হৃদয় দিয়ে স্বামীকে সাজিয়ে .... আমরা প্রেমিকার যোগ্য স্ত্রীর যোগ্য নই; স্বামীর যোগ্যতা অর্জিত হলে ভাগ নিও প্রত্যেকটি রাত, চিন্তাহীন ঘুম, তারপর অবৈতনিক দাসীর সাথে নিজের লীন মিলগুলি খুঁজে খুঁজে ...


শীত গ্রীষ্ম বর্ষার একেকটি দুপুর আমার কাছে একেকভাবে আসে, আজ হয়তো